Dhaka , Tuesday, 4 August 2026
News Title :
​সাংবাদিকতা: পেশার স্বরূপ, নৈতিকতা ও সমাজ বিনির্মাণে ভূমিকা। সিএমপি পাহাড়তলী থানার অভিযানে ০৩ টি সি আর সাজা পরোয়ানাভুক্ত আসামী  গ্রেফতার। সিএমপি’র পাহাড়তলী থানা পুলিশের পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ০২ জন ছিনতাইকারী গ্রেফতার। সিএমপি’র পাহাড়তলী থানা পুলিশের পরিচালিত বিশেষ অভিযানে মন্দিরে চুরি মামলার ঘটনার সহিত জড়িত ০৩ জন গ্রেফতার। এই বৃদ্ধ বয়সে একটু শেষ আশ্রয়ের জন্য তিনি মানুষের দিকে তাকিয়ে আছেন। পটিয়ায় ওয়েল্ডিংয়ের স্ফুলিঙ্গে মু’হূ’র্তেই জ্ব-লে উঠল তুলার গু-দাম। জুমার নামাজ আদায় করেন উত্তর শুলকবহর এশিয়ান হাউজিং সোসাইটির জামে মসজিদে এবং মসজিদের সংস্থার কাজের জন্য কিছু অর্থ অনুদান প্রদান। সিএমপি’র পাহাড়তলী থানা পুলিশের পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ০২ জন ছিনতাইকারী গ্রেফতার। ব্যবসার লোভ দেখিয়ে প্রতারক পারভেজের অভিনব কায়দায় প্রতারণা।   || বিশেষ বিজ্ঞপ্তি ||
News Title :
​সাংবাদিকতা: পেশার স্বরূপ, নৈতিকতা ও সমাজ বিনির্মাণে ভূমিকা। সিএমপি পাহাড়তলী থানার অভিযানে ০৩ টি সি আর সাজা পরোয়ানাভুক্ত আসামী  গ্রেফতার। সিএমপি’র পাহাড়তলী থানা পুলিশের পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ০২ জন ছিনতাইকারী গ্রেফতার। সিএমপি’র পাহাড়তলী থানা পুলিশের পরিচালিত বিশেষ অভিযানে মন্দিরে চুরি মামলার ঘটনার সহিত জড়িত ০৩ জন গ্রেফতার। এই বৃদ্ধ বয়সে একটু শেষ আশ্রয়ের জন্য তিনি মানুষের দিকে তাকিয়ে আছেন। পটিয়ায় ওয়েল্ডিংয়ের স্ফুলিঙ্গে মু’হূ’র্তেই জ্ব-লে উঠল তুলার গু-দাম। জুমার নামাজ আদায় করেন উত্তর শুলকবহর এশিয়ান হাউজিং সোসাইটির জামে মসজিদে এবং মসজিদের সংস্থার কাজের জন্য কিছু অর্থ অনুদান প্রদান। সিএমপি’র পাহাড়তলী থানা পুলিশের পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ০২ জন ছিনতাইকারী গ্রেফতার। ব্যবসার লোভ দেখিয়ে প্রতারক পারভেজের অভিনব কায়দায় প্রতারণা।   || বিশেষ বিজ্ঞপ্তি ||

নেই কোন ডিগ্রি,নেই কোন সার্টিফিকেট তবুও মস্ত বড় ডাক্তার এস.এম.এহসানুল হক বাবর।

  • Reporter Name
  • Update Time : 05:24 pm, Saturday, 5 July 2025
  • 920 Time View

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের দক্ষিণ বাকলিয়ার  বৌ-বাজার,ডিসি.রোড, এলাকার এস.এইচ.ফার্মেসীতে ‘ডা. এস.এম.এহসানুল হক বাবর’ নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা করে যাচ্ছেন। তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, তিনি প্রকৃতপক্ষে একজন ভুয়া ডাক্তার। তার একমাত্র শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি পাস,যাহা তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন,তবে তিনি যে এসএসসি পাস করেছেন তার কোন প্রমাণ মেলেনি,এছাড়া চিকিৎসা বিষয়েও স্বীকৃত মেডিকেল ডিগ্রি বা প্রশিক্ষণের প্রমাণ মেলেনি।তবে তিনি নিজেকে অভিজ্ঞ ডাক্তার পরিচয় দিয়ে দৈনিক ৭০-৮০ জন রোগী দেখেন এবং তাদেরকে স্টেরয়েড সমৃদ্ধ ঔষধ দিয়ে ন্যায্যমূল্যের পাঁচ গুণ অতিরিক্ত দাম হাতিয়ে নেন।যেমন গণমাধ্যম কর্মীদের সামনে ২৫০-৩০০ টাকার স্যালাইন ৮৫০ টাকায় বিক্রি করেন।এভাবে দীর্ঘ ২০-২১বছর যাবৎ বৌ-বাজার এলাকার মানুষদের সাথে প্রতারণা করে আসতেছে এই ভুয়া ডাক্তার। স্থানীয়দের অভিযোগ, এহসানুল হক বাবর চিকিৎসার নামে রোগীদের ভুল ওষুধ দিচ্ছেন এবং অনেক সময় গুরুতর রোগ নির্ণয়ে ভুল পরামর্শ দিয়ে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছেন। অনেকেই শুরুতে না জেনে তার কাছে চিকিৎসা নিলেও পরে বিপদে পড়ে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হন চট্টগ্রাম মেডিকেল  হাসপাতালে।একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমার ভাই জ্বরে ভুগছিল, বাবর সাহেবের কাছে নিয়ে গেলে উনি ওষুধ দেন। কিন্তু অবস্থার অবনতি হলে পরে জানতে পারি ভুল ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে। তখন বুঝি উনি আসল ডাক্তার না।আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, তিনি নিজের নামের আগে ‘ডা.’ উপাধি ব্যবহার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় একটি চেম্বার চালাচ্ছেন। চিকিৎসা সেবা জাতীয়ভাবে একটি সংবেদনশীল এবং জীবনঘনিষ্ঠ পেশা। এতে এ ধরনের প্রতারণা সাধারণ মানুষের জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ।চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্তাধীন এবং প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে সরকার ইতিমধ্যে কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে এ ধরনের প্রতারণা থেকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে।একজন ভুয়া চিকিৎসকের হাতে পড়ে সাধারণ মানুষের জীবন যেন বিপন্ন না হয়, সে জন্য প্রয়োজন স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং সচেতনতা বৃদ্ধি। চিকিৎসা গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন ও ডিগ্রি যাচাই করার জন্য সকলকে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।এহাসানুল হক বাবর আর বলেন- এসএসসি পাস করে রোগী দেখা যায় এবং ফিস নেওয়া যায়, আমার কাছে সরকারি অনুমোদন আছে,জনমনে  প্রশ্ন রইল- এসএসসি পাস ও এল. এম.এফ. করে কি যে কোন রোগী দেখা যায়? কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী সরজমিনে উপস্থিত হয়ে দেখতে পান- ভুয়া ডা: এস.এম.এহাসানুল হক বাবর    দক্ষিণ বাকলিয়ার বৌ বাজার এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ নিজেকে মস্ত বড়ো ডাক্তার পরিচয় দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন অপচিকিৎসা।সাধারণ জনগণকে বোকা বানিয়ে স্টেরয়েড সমৃদ্ধ ইনজেকশন দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে ন্যায্যমূল্যের পাঁচগুণ টাকা।এই স্টেরয়েড ব্যবহারের ফলে রোগীরা সাময়িক ভাবে সুস্থ হলেও পরবর্তীতে আরও জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।রোগীদের দেহে অতিরিক্ত মাত্রায় স্টেরয়েড ব্যবহারে তাদের স্বাস্থ্যহানি হচ্ছে।পরিশেষে বলা বাহুল্য যে এরকম ভুয়া ডাক্তারদের আইনের আওতায় এনে জাতীয় স্বাস্থ্যসেবার মান রক্ষা করা একান্ত কর্তব্য।

Tag :
About Author Information

​সাংবাদিকতা: পেশার স্বরূপ, নৈতিকতা ও সমাজ বিনির্মাণে ভূমিকা।

নেই কোন ডিগ্রি,নেই কোন সার্টিফিকেট তবুও মস্ত বড় ডাক্তার এস.এম.এহসানুল হক বাবর।

Update Time : 05:24 pm, Saturday, 5 July 2025

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের দক্ষিণ বাকলিয়ার  বৌ-বাজার,ডিসি.রোড, এলাকার এস.এইচ.ফার্মেসীতে ‘ডা. এস.এম.এহসানুল হক বাবর’ নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা করে যাচ্ছেন। তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, তিনি প্রকৃতপক্ষে একজন ভুয়া ডাক্তার। তার একমাত্র শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি পাস,যাহা তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন,তবে তিনি যে এসএসসি পাস করেছেন তার কোন প্রমাণ মেলেনি,এছাড়া চিকিৎসা বিষয়েও স্বীকৃত মেডিকেল ডিগ্রি বা প্রশিক্ষণের প্রমাণ মেলেনি।তবে তিনি নিজেকে অভিজ্ঞ ডাক্তার পরিচয় দিয়ে দৈনিক ৭০-৮০ জন রোগী দেখেন এবং তাদেরকে স্টেরয়েড সমৃদ্ধ ঔষধ দিয়ে ন্যায্যমূল্যের পাঁচ গুণ অতিরিক্ত দাম হাতিয়ে নেন।যেমন গণমাধ্যম কর্মীদের সামনে ২৫০-৩০০ টাকার স্যালাইন ৮৫০ টাকায় বিক্রি করেন।এভাবে দীর্ঘ ২০-২১বছর যাবৎ বৌ-বাজার এলাকার মানুষদের সাথে প্রতারণা করে আসতেছে এই ভুয়া ডাক্তার। স্থানীয়দের অভিযোগ, এহসানুল হক বাবর চিকিৎসার নামে রোগীদের ভুল ওষুধ দিচ্ছেন এবং অনেক সময় গুরুতর রোগ নির্ণয়ে ভুল পরামর্শ দিয়ে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছেন। অনেকেই শুরুতে না জেনে তার কাছে চিকিৎসা নিলেও পরে বিপদে পড়ে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হন চট্টগ্রাম মেডিকেল  হাসপাতালে।একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমার ভাই জ্বরে ভুগছিল, বাবর সাহেবের কাছে নিয়ে গেলে উনি ওষুধ দেন। কিন্তু অবস্থার অবনতি হলে পরে জানতে পারি ভুল ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে। তখন বুঝি উনি আসল ডাক্তার না।আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, তিনি নিজের নামের আগে ‘ডা.’ উপাধি ব্যবহার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় একটি চেম্বার চালাচ্ছেন। চিকিৎসা সেবা জাতীয়ভাবে একটি সংবেদনশীল এবং জীবনঘনিষ্ঠ পেশা। এতে এ ধরনের প্রতারণা সাধারণ মানুষের জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ।চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্তাধীন এবং প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে সরকার ইতিমধ্যে কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে এ ধরনের প্রতারণা থেকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে।একজন ভুয়া চিকিৎসকের হাতে পড়ে সাধারণ মানুষের জীবন যেন বিপন্ন না হয়, সে জন্য প্রয়োজন স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং সচেতনতা বৃদ্ধি। চিকিৎসা গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন ও ডিগ্রি যাচাই করার জন্য সকলকে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।এহাসানুল হক বাবর আর বলেন- এসএসসি পাস করে রোগী দেখা যায় এবং ফিস নেওয়া যায়, আমার কাছে সরকারি অনুমোদন আছে,জনমনে  প্রশ্ন রইল- এসএসসি পাস ও এল. এম.এফ. করে কি যে কোন রোগী দেখা যায়? কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী সরজমিনে উপস্থিত হয়ে দেখতে পান- ভুয়া ডা: এস.এম.এহাসানুল হক বাবর    দক্ষিণ বাকলিয়ার বৌ বাজার এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ নিজেকে মস্ত বড়ো ডাক্তার পরিচয় দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন অপচিকিৎসা।সাধারণ জনগণকে বোকা বানিয়ে স্টেরয়েড সমৃদ্ধ ইনজেকশন দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে ন্যায্যমূল্যের পাঁচগুণ টাকা।এই স্টেরয়েড ব্যবহারের ফলে রোগীরা সাময়িক ভাবে সুস্থ হলেও পরবর্তীতে আরও জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।রোগীদের দেহে অতিরিক্ত মাত্রায় স্টেরয়েড ব্যবহারে তাদের স্বাস্থ্যহানি হচ্ছে।পরিশেষে বলা বাহুল্য যে এরকম ভুয়া ডাক্তারদের আইনের আওতায় এনে জাতীয় স্বাস্থ্যসেবার মান রক্ষা করা একান্ত কর্তব্য।